সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দোয়ারাবাজারে নদীভাঙনে অস্তিত্ব হারাচ্ছে কবরস্থান তাহিরপুরে সড়কের বেহাল দশা,দুর্ভোগে পর্যটক-স্থানীয়রা ভূমি অফিস শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত করার ঘোষণা এসিল্যান্ডের দুই বছর ধরে ঝুলে আছে ১৩ নদী পুনঃখনন প্রকল্প হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলে পুরস্কার দিবে এসআরবি শান্তিগঞ্জে মহাসড়কে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৯ বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন ‎প্রতি শুক্রবার আইসিসিবিতে বসবে ‘সুপার সেল কার বাজার’ বিশ্বম্ভরপুরে এসআরবি-৯ এর অভিযানে ৩৩ বোতল বিদেশী মদসহ গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে জমজমাট নৌকা বাইচ সিলেট-ছাতক রেলপথ সংস্কারে কচ্ছপের গতি পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি' দেশে ৭ মাসে ধর্ষণের শিকার ৬৪১ নারী-শিশু : আসক ‎জামালগঞ্জে বিষাক্ত রং ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য বিক্রি, ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ : সিলেটে রাষ্ট্রপতি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে : ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস টাঙ্গুয়ার হাওরেও পাওয়া যাচ্ছে রাক্ষুসে সাকার মাছ তাহিরপুরে বন্যা পূর্ব প্রস্তুতি ও আগাম সাড়াদান মহড়া অনুষ্ঠিত ৮ বছর ধরে অকেজো কোটি টাকার সোলার প্যানেল জামালগঞ্জে চাচাতো ভাইয়ের আঘাতে ভাইয়ের মৃত্যু

রেলপথ সংস্কারে ধীরগতি কাম্য নয়

  • আপলোড সময় : ১৮-০৯-২০২৬ ০৮:৩০:১৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-০৯-২০২৬ ০৮:৩০:১৭ পূর্বাহ্ন
রেলপথ সংস্কারে ধীরগতি কাম্য নয়
২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ সিলেট-ছাতক রেলপথ। মানুষের প্রত্যাশা ছিল, সংস্কারকাজ শুরু হলে দ্রুতই এই গুরুত্বপূর্ণ রেল যোগাযোগ পুনরায় চালু হবে। কিন্তু ২১৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ গত ২৩ আগস্ট শেষ হলেও কাজ হয়েছে মাত্র ২৫ শতাংশ। অর্থাৎ প্রকল্পের ৭৫ শতাংশ কাজই এখনো বাকি। এই চিত্র নিছক ধীরগতি নয়, বরং সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সক্ষমতা ও জবাবদিহি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করে। ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথ ছাতক ও সিলেটের মানুষের জন্য কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়; এটি ছাতকের শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহনের সঙ্গেও ঐতিহাসিকভাবে যুক্ত। সিমেন্ট, চুনাপাথর, বালি, পাথরসহ বিভিন্ন পণ্য পরিবহনে রেলপথটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকায় সাধারণ যাত্রী যেমন দুর্ভোগে পড়েছেন, তেমনি ব্যবসায়ীদেরও সড়কপথনির্ভর অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। ফলে এই রেলপথ দ্রুত সচল করা স্থানীয় অর্থনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পের আওতায় রেললাইন সংস্কার, মাটি ভরাট, সেতু ও কালভার্ট মেরামত, স্লিপার স্থাপন এবং নতুন রেললাইন বসানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও এসব কাজের বড় অংশ অস¤পন্ন থাকা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিশেষ করে ৯৬টি পাইলিং পয়েন্টের ৮৫টির কাজ শেষ হলেও সার্বিক অগ্রগতি মাত্র ২৫ শতাংশ - এতে প্রকল্প বাস্তবায়নের সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু শুধু সময় বাড়ালেই সমস্যার সমাধান হবে না। কেন নির্ধারিত সময়ে কাজের মাত্র এক-চতুর্থাংশ শেষ হলো, কোথায় প্রশাসনিক বা কারিগরি জটিলতা রয়েছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনে ঘাটতি আছে কি না - এসব বিষয় খতিয়ে দেখা জরুরি। একই সঙ্গে প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করতে কঠোর তদারকি প্রয়োজন। আমরা মনে করি, রেলপথ সংস্কারকে আর দীর্ঘসূত্রতার মধ্যে রাখা উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বাস্তবসম্মত নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করে কাজের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। অযৌক্তিক বিলম্বের জন্য দায় নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের অর্থে নেওয়া এই প্রকল্প দ্রুত, স্বচ্ছ ও মানসম্মতভাবে বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে বড় দাবি। সিলেট-ছাতক রেলপথ কবে চালু হবে - এ প্রশ্নের উত্তর আর অনিশ্চিত থাকা উচিত নয়। দ্রুত কাজ শেষ করে এই ঐতিহাসিক রেল যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করা হোক।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
দুই বছর ধরে ঝুলে আছে ১৩ নদী পুনঃখনন প্রকল্প

দুই বছর ধরে ঝুলে আছে ১৩ নদী পুনঃখনন প্রকল্প